 |
কোন কোন পৌরসভা/ পৌরনিগম আই/সিএফ এর অর্ন্তভুক্ত?
|
 |
এই ফান্ডের উপভোক্তা কারা?
|
 |
আই/সিএফ এর কাজের এলাকা কি কি?
|
 |
কারা এই ফান্ডের জন্য আবেদন করতে পারে?
|
 |
একজন স্বতন্ত্র ব্যক্তি কি ফান্ডের জন্য আবেদন করতে পারে?
|
 |
পুরসভা কি ফান্ডের আবেদন করতে পারবে?
|
 |
ইনোভেটিভ চ্যালেঞ্জ ফান্ডের উদ্দেশ্য কি?
|
 |
ফান্ডের সুবিধা পাবার আবশ্যিক শর্ত কি কি ?
|
 |
ইনোভেটিভ/চ্যালেঞ্জ ফান্ডটি কি?
|
 |
একটি পুরসভা কি একই সময়ে একাধিক প্রকল্পের জন্য ফান্ডের আবেদন করতে পারে?
|
 |
ফান্ড পাবার জন্য প্রকল্পে কি ধরণের উপাদান থাকতে হবে?
|
 |
প্রকল্পের অভিনবত্ব বলতে কি কি বোঝাবে?
|
 |
কি ধরণের প্রকল্প আই/সিএফ এর নিয়মের বাইরে?
|
 |
কেন গরীরদের জন্য কোন পরিকাঠামো বানানোর কাজে আই/সিএফ ফান্ড করে না?
|
 |
আই/সিএফ ফান্ডের সময়সীমা কত?
|
 |
কখন কি ভাবে ফান্ডের আবেদন করতে পারবে?
|
 |
ধারণাপত্র সহ আবেদন করুন নিম্নলিখিত ঠিকানায়ঃ
|
 |
আই/সিএফ সম্পর্কে খবরাখবর নেওয়ার জন্য কার সাথে যোগাযোগ করতে হবে?
|
 |
বাংলায় কি কনসেপ্টনোট জমা করা যায়?
|
 |
ফান্ড কি ভাবে কাজ করে?
|
 |
প্রকল্পের নির্বাচন কি ভাবে হয়?
|
 |
কি ভাবে প্রকল্প শংসাপত্র পায়?
|
 |
প্রকল্প অনুমোদন পেলে কি ভাবে অনুদান পাওয়া যাবে?
|
| |
| |
|
কোন কোন পৌরসভা/ পৌরনিগম আই/সিএফ এর অর্ন্তভুক্ত?
|
যে পাঁচটি পৌরনিগম আই/সিএফ এর অর্ন্তভুক্ত- আসানসোল, চন্দননগর, দুর্গাপুর, শিলিগুঁড়ি, হাওড়া।
যে ১২১টি পুরসভা আই/সিএফ এর অর্ন্তভুক্ত- বালি। বৈদ্যবাটি, বাঁশবেরিয়া, বরাহনগর, বারাসাত, ব্যারাকপুর, বারুইপুর, ভদ্রেশ্বর, ভাটপাড়া, বিধানগর, বজবজ, চাঁপদানী, হাওড়া, চুঁচূড়া, গারুলিয়া, গয়েশপুর, হালিশহর, কল্যাণী, কামারহাটি, কাঁচরাপাড়া, খড়দা, মধ্যমগ্রাম, নিউ ব্যারাকপুর, নৈহাটি, উত্তর ব্যারাকপুর, উত্তর দমদম, পানিহাটি, পুজালি, রাজারহাট- গোপালপুর, রিষড়া, রাজপুর- সোনারপুর, দক্ষিণ দমদম, শ্রীরামপুর, টিটাগঢ়, উলুবেড়িয়া, উত্তরপাড়া- কোতরং,
|
 |
|
এই ফান্ডের উপভোক্তা কারা?
|
এই ফান্ডের আওতাধীন উপভোক্তারা হলেন শহরের গরীব এবং প্রান্তিক সম্প্রদায়ের মানুষ। এছাড়াও নারী, সমাজচ্যুত শ্রেণী, সামাজিক সুযোগ সুবিধা বঞ্চিত মানুষ, ফুটপথের বাসিন্দা, দৈহিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী, ও শিশুদের অর্ন্তভুক্ত করার কথা বিশেষভাবে বিবেচিত হবে। |
 |
|
আই/সিএফ এর কাজের এলাকা কি কি?
|
ইনোভেটিভ/ চ্যালেঞ্জ ফান্ড কেবলমাত্র কে ইউ এস পি এলাকার মধ্যে প্রকল্প রূপায়ণে সহায়তা করবে। কলকাতার সমগ্র পৌর এলাকা (কলকাতা পৌরনিগম বাদে) এবং পশিচমবঙ্গের সমগ্র পৌরএলাকায় ১২১টি পুরসভা ও ৫টি পৌরনিগমে এই ফান্ড কার্যকরী হবে। |
 |
|
কারা এই ফান্ডের জন্য আবেদন করতে পারে?
|
নতুন নতুন উদ্ভাবন নিয়ে উদ্যোগ রূপায়ণে যে আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন, তার জন্য নানা রকম বেসরকারী সংস্থা ফান্ডের কাছে আবেদন প্রার্থী হবেন। এই সংস্থাগুলির মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলি সহ বিভিন্ন নাগরিক জনগোষ্ঠীকেও অর্ন্তভুক্ত করা যেতে পারে। |
 |
|
একজন স্বতন্ত্র ব্যক্তি কি ফান্ডের জন্য আবেদন করতে পারে?
|
ব্যক্তিগত উদ্যোগের ক্ষেত্রে ফান্ডের আবেদন করা যাবেনা। |
 |
|
পুরসভা কি ফান্ডের আবেদন করতে পারবে?
|
বেসরকারী সংস্থাই কেবলমাত্র ফান্ডের আবেদন করতে পারে, ফলে পুরসভা এবং ওয়ার্ড কমিটি কখনই ফান্ডের আবেদন করতে পারবে না। |
 |
|
ইনোভেটিভ চ্যালেঞ্জ ফান্ডের উদ্দেশ্য কি?
|
কমিউনিটি বেসড অর্গানাইজেশন(সি বি ও), নন-গর্ভনমেন্ট অর্গানাইজেশন,গবেষণা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান,বেসরকারী ক্ষেত্র প্রভৃতিতে সাহায্য করা, শহর পরিচালন ব্যবস্থার আওতাধীন বিস্তীর্ণ এলাকায় উদ্যোগ গ্রহণে সহায়তা করা।ফান্ড নির্দিষ্ট বিষয় গুলির অর্ন্তগত নতুন নতুন উদ্ভাবনী ও সফল প্রয়োগ কৌশলকে উতসাহ দান ও অর্থসহায়তা করা এবং এই সব বিষয়ে আগত প্রতিটি প্রকল্প কে কেবলমাত্র গুণাগুণের ভিত্তিতে যাচাই করা।এই ফান্ড থেকে আর্থিক সহায়তা লাভের জন্য প্রতিযোগিতার পরিবেশ গড়ে তোলা। |
 |
|
ফান্ডের সুবিধা পাবার আবশ্যিক শর্ত কি কি ?
|
আবেদনকারীদের সোসাইটিজ রেজিস্ট্রেশনএক্ট, কো-অপারেটিভস এক্ট,ট্রেড ইউনিয়ন্স এক্ট ইত্যাদির যে কোন একটি আইনের আওতায়পৃথক পৃথক ভাবে বৈধ অস্তিত্ব নিবন্ধভুক্ত করতে হবে।অনুদানের জন্য আবেদনকারীদের হিসাবপত্র কোন চাটার্ড একাউন্ট্যান্ট ফার্ম দ্বারা পরীক্ষিত হওয়া বাঞ্ছনীয়। |
 |
|
ইনোভেটিভ/চ্যালেঞ্জ ফান্ডটি কি?
|
ইনোভেটিভ/চ্যালেঞ্জ ফান্ডটি হল কলকাতা আর্বান সার্ভিসেস ফর দি পুওর(কে ইউ এস পি), পশ্চিমবঙ্গ সকারের পৌরবিষকক দপ্তর কর্তৃক রূপায়িত এবং বৃটিশ সরকারের ডিপার্টমেণ্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট(ডি এফ আই ডি)এর আর্থিক অনুদানে পুষ্ট একবহুমুখী নগর সংস্কার কর্মসূচি। কললকাতা পৌরনিগম বাদে সমগ্র পশ্চিমবঙ্গের ১২১টি পুরসভা ও ৫ টি পৌরনিগম এই প্রকল্প এলাকার অর্ন্তভুক্ত। |
 |
|
একটি পুরসভা কি একই সময়ে একাধিক প্রকল্পের জন্য ফান্ডের আবেদন করতে পারে?
|
একটি পুরসভা একাধিক প্রকল্প জমা করতে পারে।তবে প্রকল্পের বিষয়, ওয়ার্ড, উপভোক্তা ভিন্ন হতে হবে। |
 |
|
ফান্ড পাবার জন্য প্রকল্পে কি ধরণের উপাদান থাকতে হবে?
|
এই ফান্ড থেকে সহায়তা পেতে গেলে প্রস্তাবের ধরনে কোন না কোন অভিনবত্ব থাকাটাই বাচ্ছনীয়।এক্ষেত্রে অভিনবত্ব বলতে যেমন নতুন কোন চিন্তা প্রসূত উদ্যোগ ও হতে পারে, তেমনি আবার কোন চালু সমস্যার সমাধানে নতুন পদক্ষেপ ও হতে পারে।এছাড়া সেই সব উদ্যোগ কেও অভিনব বলা যাবে যেগুলি হবে আধুনিক, বৈপ্লবিক, দিগনির্দেশক, সৃজনশীল, কল্পনামূলক, অপ্রচলিত এবং নতুনধ্যান ধারনার একীকরণে প্রয়াসী।একটি অভিনব প্রকল্প পরীক্ষামূলক ও হতে পারে।প্রকল্পটি তে সাফল্য পাওয়া গেলে আরো বড় আকারে তার পুর্নবিন্যাস করা যেতে পারে অথবা/এবং সরকারের হাতে তা তুলে দেওয়া যেতে পারে। |
 |
|
প্রকল্পের অভিনবত্ব বলতে কি কি বোঝাবে?
|
কোন প্রকল্পকে অভিনব তখনই বলা যাবে যদি তা হয় আধুনিক, বৈপ্লবিক, সৃজনশীল, কল্পনামূলক, অপ্রচলিত, এবং নতুন ধ্যনধারণার একীকরণে প্রয়াসী। একটি অভিনব প্রকল্প পরীক্ষামূলক ও হতে পারে।প্রকল্পটিতে সাফল্য পাওয়া গেলে আরো বড় আকারে তার পুর্নবিন্যাস করা যেতে পারে অথবা/এবং সরকারের কাছে তা তুলে দেওয়া যেতে পারে। |
 |
|
কি ধরণের প্রকল্প আই/সিএফ এর নিয়মের বাইরে?
|
ফান্ড থেকে পরিশেবা বন্টন কিংবা পরিকাঠামো যথা রাস্তাঘাট নির্মান, জলসরবরাহ, নিকাশীব্যবস্থা, গৃহনির্মান, সাধারণের জন্য শৌচাগার, ইত্যাদি বাবদ কোন আর্থিক অনুদান দেওয়া হবে না, কারণ এই ধরণের উদ্যোগে কোন উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট নেই। |
 |
|
কেন গরীরদের জন্য কোন পরিকাঠামো বানানোর কাজে আই/সিএফ ফান্ড করে না?
|
প্রথমত বস্তি এলাকা স্তরে ও এলাকায় কোন পরিকাঠামোতে কোন ত্রুটি থাকলে তা চিহ্নিত করে ব্যবস্থা গ্রহণের দায়িত্ব সরকারের এবং সেই এলাকা গুলিকে পরিষেবা পৌছে দেবার জন্য সরকারী কোষাগার থেকে অর্থ বরাদ্দ করা হয়। উপরন্তু এই এলাকাগুলি কেইউএসপি এর আওতায় একটি বৃহত কর্মক্ষেত্র হওয়ায় এই ধরণের কাজের জন্য এখানে মোটা অর্থ বরাদ্দ আছে। দ্বিতীয়ত, বৃহত পরিকাঠামোয় বিনিয়োগ করে অন্যান্য উদ্যোগ প্রকল্পকে কোনঠাসা করা ঠিক নয়। |
 |
|
আই/সিএফ ফান্ডের সময়সীমা কত?
|
এই ফান্ডের সময়সীমা কমপক্ষে ছয় মাস থেকে সর্বোচ্চ আঠারোমাস পর্যন্ত। |
 |
|
কখন কি ভাবে ফান্ডের আবেদন করতে পারবে?
|
সারা বছরই পরিকল্পিত বিষয়ের আবেদনপত্র সহ ধারণাপত্র আহবান করা হয়। |
 |
|
ধারণাপত্র সহ আবেদন করুন নিম্নলিখিত ঠিকানায়ঃ
|
দি প্রজেক্ট ডিরেক্টর, কেইউএসপি কর্মসুচি চেঞ্জ ম্যানেজমেন্ট ইউনিট, ইলগাস ভবন এইচ সি ব্লক সেক্টর-৩ সল্টলেক কলকাতা-৭০০১০৩ |
 |
|
আই/সিএফ সম্পর্কে খবরাখবর নেওয়ার জন্য কার সাথে যোগাযোগ করতে হবে?
|
আপনি যোগাযোগ করতে পারেন ফান্ড ম্যানেজার, প্রথম তল ইলগাস ভবন, এইচ সি ব্লক সেক্টর-৩ সল্টলেক কলকাতা-৭০০১০৩ |
 |
|
বাংলায় কি কনসেপ্টনোট জমা করা যায়?
|
ধারণাপত্র বাংলায় জমা নেওয়া হলেও বিশদ বিবরণী পত্র(প্রজেক্ট প্রপোজাল) কেবলমাত্র ইংরাজীতেই জমা করতে হবে। |
 |
|
ফান্ড কি ভাবে কাজ করে?
|
প্রকল্প রূপায়ণে ইনোভেটিভ/চ্যালেঞ্জ ফান্ডের তরফে দুটি সুযোগ রাখার প্রস্তাব রয়েছে। একটিতে প্রকল্পের প্রস্তুতি গ্রহণের জন্য তথা স্বেছাসেবী সংস্থাগুলিকে প্রকল্প রূপায়ণে দক্ষ করে তুলতে ছোট মাপের আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। দ্বিতীয়টিতে প্রকল্পের প্রকৃত রূপায়ণের ক্ষেত্রে বড় মাপের আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।ফান্ডে যে অর্থাগম হবে তা কখনো তামাদি হবে না এবং এই ফান্ড বিভিন্ন প্রকল্পকে অনুদান হিসাবে আর্থিক সহায়তা দেবে। |
 |
|
প্রকল্পের নির্বাচন কি ভাবে হয়?
|
দুটি পর্যায়ে প্রকল্প নির্বাচন করা হবে। প্রথম পর্যায়ে আছে ধারণাপত্রের প্রস্তুতি এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে আছে অনুমোদিত বিষয়ে বিশদ বিবরণসহ প্রস্তাবের প্রস্তুতি। |
 |
|
কি ভাবে প্রকল্প শংসাপত্র পায়?
|
ইনোভেটিভ/ চ্যালেঞ্জ ফান্ডের ভারপ্রাপ্ত ফান্ড ম্যানেজার নির্দিষ্ট মুল্যায়ণ পদ্ধতির ভিত্তিতে ধারণাপত্রের মুল্যায়ণ করবেন। ধারণাপত্র বাছাই ও তালিকাভুক্ত হয়ে অনুমোদিত হলে বিশদ বিবরণপত্র চাওয়া হবে। এর মূল্যায়ণ হয়ে গেলে তা প্রজেক্ট সিলেকশন কমিটির কাছে পেশ করা হবে, চূড়ান্ত পর্যায়ের অনুমোদনের জন্য। |
 |
|
প্রকল্প অনুমোদন পেলে কি ভাবে অনুদান পাওয়া যাবে?
|
সম্পূর্ণ অনুদানকে ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে দেওয়া হবে। |
 |